Category Archives: মতামত

বাঙলা ব্লগ দিবস ২০১২ উদযাপনের বিষয়বস্তু ও প্রস্তাবিত কমিটি

বাঙলা ব্লগ দিবস ২০১২ উদযাপনের মূল বিষয়বস্তু এবঙ প্রস্তাবিত উদযাপন কমিটি।

উৎসর্গ: মাত্র এক কাপ লেবু চা, তা-ও অনেকক্ষণ পর।

বাঙলা ব্লগ দিবস- ২০১২ উদযাপন কেমন হবে, এ নিয়ে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় গত ২০ জানুয়ারি, শুক্রবার- বেলা চারটায়, ধানমন্ডির রবীন্দ্র-সরোবরে। আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন অনেকেই, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজনের নাম উল্লেখ করতে গেলেই, পোস্টের পরিধি পাঠকের ধৈর্য্যরে বাঁধ ভাঙবে। তাই মূল আলোচনায় আলোকপাত করি।

আসছে পহেলা ফেব্রুয়ারি- বাঙলা ব্লগ দিবস। বাঙালি ব্লগারগণের জন্যে এই দিনটি একটি অনন্য সাধারণ দিন। দিনটিকে উদযাপনের জন্যে একটি সার্বিক পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেগুলো নিচে আলোচনা করা হলো।
Continue reading

বাংলা ব্লগ দিবস ২০১২ এর সম্ভাব্য প্রতিবাদ্য

বাঙলা ব্লগ ২০১২ উদযাপনের প্রতিপাদ্য কী হবে; এ নিয়ে আলোচনার অনুরোধ রইলো।

বাঙলা ব্লগ িদবস ২০১২ উদযাপন িনয়ে অােলাচনা শুরু হলো। প্রােণর বারান্দার েরােদ ঝলমল করুক সবটুকু। সবার আলোচনায় ঋদ্ধ েহাক সবটুকু সম্ভাবনা।


বাংলা ব্লগ দিবস ২০১২ এর সম্ভাব্য প্রতিবাদ্য:

১। বাঙািলর আত্ম-পরিচয় উদঘাটনে বাঙলা ব্লগ
২। বাঙলা ভাষায় প্রযুক্তিচর্চা
৩। বাঙলা ব্লগের বিরুদ্ধে কর্পোরেট আগ্রাসন

এ িবষয়ে সবার মন্তব‍্য আশা করছি। নূতন প্রতিপাদ্য আসুক নূতন নূতন মন্তবে্য।

০৭ মাঘ, ১৪১৮

ব্লগার হাসিবের ব্লগ দিবস নিয়ে মতামত পোস্টঃ গাজোয়ারি সংস্কৃতির ব্লগ দিবস

ব্লগ দিবস নিয়ে সর্বশেষ আপডেট পোস্ট পড়ুন হাসিব নীড়পাতা ব্লগ থেকে।

১.

বারো মাসে তেরো পার্বণ আয়োজনে বাঙালির সুখ্যাতি আছে আগেই । আগের যুগে এই পালা পার্বণগুলোর দিন কাল আচার ইত্যাদি ঠিক করতো মোল্লা-পুরুতের দল । কোথায় কবে চাঁদ, লগ্ন ইত্যাদি হলে কি করতে হবে সেটার বিধান করতেন তারা । এ মুহুর্তে পুরনো উদযাপনগুলোর মধ্যে নতুন বছরের হালখাতা ছাড়া ধর্ম থেকে নয় এরকম কোন দিন খুঁজতে ঐতিহাসিকদের দারস্থ হতে হবে ।

আধুনিক ইতিহাসে বাঙ্গালি নিজের জাতিস্বত্ত্বার অস্তিত্ব খুঁজে পাবার পর এই ধর্মভিত্তিক পার্বণগুলোর পাশাপাশি তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ন কিছু ঐতিহাসিক দিনগুলোকে উদযাপন করতে শুরু করে । বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলন সম্ভবত এই ক্যাটেগরিতে প্রথম দিকে পড়বে । এর ধারাবাহিকতায় বাঙালি ইতিহাসের হাত ধরে আরো কিছু দিনকে খুজে নেয় উদযাপনের জন্য । যেমন – স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, বুদ্ধিজীবি দিবস ইত্যাদি । ঐতিহাসিকভাবে এইসব দিনগুলোর কোনকোনটির ইতিহাসে শোকের প্রলেপ থাকলেও কালের বিবর্তনে এগুলো এখন উৎসবের চেহারা নিয়েই হাজির হয় । একুশে ফেব্রুয়ারির জমায়েত ও সেগুলোর চেহারা চরিত্র দেখলেই এ বিষয়টা পরিস্কার হবে । এগুলোর পরে নব্বুই দশকে বাঙ্গালির পার্বণ সংস্কৃতিতে এনজিও সংস্কৃতির আমদানি হয় । বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দিবসের প্রবেশ ঘটে সংস্কৃতিতে । দিবসগুলোতে ঘটা করে রেলি বের করে সেটার ছবি ভিডিও ইত্যাদি তুলে এদিক ওদিক থেকে ফান্ড যোগানেই মূল উদ্দেশ্য এদের । এই সংস্কৃতি এখনও বলবত আছে ।

২.

এই এনজিও সংস্কৃতির সাথে যাযাদির শফিক রেহমান চালু করেন ভালোবাসা দিবসের কনসেপ্ট । সাম্প্রতিক সময় চালু হওয়া এটাই সম্ভবত সবচেয়ে জনপ্রিয় পার্বণ । একসময়ের স্বৈরাচার বিরোধী শফিক রেহমানের এই উদ্যোগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮৩/র স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের আত্মদান পুরো ঢেকে ফেলে ।

Continue reading